পোস্টগুলি

ছবি
০৫সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ৯টা বেসে উঠলো সাহেরা খাতুনের লাশ, প্রাই ২৯ঘন্টা পর সন্ধান মিলে সাহেরা খাতুনের, ৪তারিখ ফজরের আযু করতে উঠে রাহেলা খাতুন। তারপর থেকে পাওয়া যাচ্ছিলোনা তাকে। কেউ বলছে বউয়ের যালায় আত্বহত্যা করেছে, কেউ বলছে বউ মেরে পানিতে পেলে দিয়েছে। বউ মেরেছে বলার কারন, সাহেরা খাতুনের ২ ছেলে এক ছেলে পরিবার সহ সহরে থাকে, সরকারি চাকুরি করে। আরেক ছেলে মায়ের সাথে থাকে, বড় ছেলে সুরুজ মিয়া, বাড়িতে মাকে নিয়ে থাকে, কৃষি কাজ করে, সুরুজ মিয়ার স্ত্রী রাহেলা বেগম একটু হিংসুটে, শাশুরীর সাথে একদম ভাল যায়না তার কথায় কথায় খুটা দেওয়া, জগরা বিবেদ লেগেই থাকে, সব মিলিয়ে বউ শাশুরীর মধ্যে ভাল সম্পর্ক নেই। আর ছোট ছেলে মেহেরাজ সরকারি চাকুরি করে, তাই বউ বাচ্ছা নিয়ে শহরে থাকে, মাঝে মাঝে ছুটি মিল্লে গ্রাম এ আসে। ০২সেপ্টেম্বর খবর পেয়ে বাড়ি আসে মেহেরাজ সাহেব। সেই দিন ও নাকি রাহেলা বেগমের সাথে জগরা হয়েছিলো তাই মেহরাজ সাহেব এর বাড়ি আসা। জগরা লেগে সাহেরা খাতুন বলেছিলো"একদিন আমি তুদের কে সান্তি করে দিয়ে অনেক দুরে চলে যাবো সেই দিন তুরা সুখ করিস"। সুরুজ মিয়া বউয়ের কথার বাহিরে কোন কথা বলেনা। ম...